জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাগজে-কলমে কর্মরত রয়েছেন একজন গাইনী ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তবে বাস্তবে তিনি কর্মস্থলে না থেকে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন প্রসূতি মা ও গর্ভবতী নারীরা। জরুরি চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অনেক সময় ঝুঁকি নিয়েই অন্যত্র ছুটতে হচ্ছে রোগীদের।
উল্লেখ্য যে, এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এলাকার হাজারো মানুষের একমাত্র ভরসার সরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র। ৫০ শয্যার এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। প্রতিদিন আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৭০০ রোগী। বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ থাকা সত্ত্বেও গাইনী ও প্রসূতি বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যত বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।
এ প্রসঙ্গে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শ্রী তরুণ কুমার পাল বলেন, ‘আমাদের এখানকার গাইনী চিকিৎসক সার্জন কাজ করছেন ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে। আর গাইনী সার্জন কাজ করছেন জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে। যে কারণে চিকিৎসসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পাঁচবিবির প্রসূতিরা।’
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানতে চাইলে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেই গাইনী চিকিৎসক ডা.রেজওয়ানা শারমিন বলেন, ‘আমার পোস্টিং পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছিল। তবে আমার প্রমোশন হয়েছে। আমি এখন এ্যাসিট্যান্ট প্রফেসর। তাই আমি এখন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে দায়িত্ব পালন করছি। সামনেই সরকার আমাদের নতুন করে পোস্টিং দেবে। পাঁচবিবিতেও নতুন কোনো চিকিৎসব পোস্টিং পাবেন।’