বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনেও এক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রেখেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা ও অঙ্গীকারনামায় অসংগতি থাকায় বাসদ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন।
মনীষা চক্রবর্তী বলেন, মূল হলফনামায় আমার স্বাক্ষর রয়েছে। নোটারির একটি কপিতে স্বাক্ষর নেই, যা বড় কোনো ভুল নয়। অঙ্গীকারনামার স্ট্যাম্পেও স্বাক্ষর রয়েছে। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের কারণে আমার মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে আয়কর বিভাগের মামলা থাকা সত্ত্বেও ও আরেকজন প্রার্থী অনুপস্থিত থাকলেও তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে স্পষ্টভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষপাতমূলক আচরণ প্রমাণিত হয়।
এদিকে আয়কর রিটার্ন সনদ ও ১০-বি ফরম সংযুক্ত ও ছবি সত্যায়িত না থাকায় বরিশাল-৬ আসনে মুসলিম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুসের মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে রিটানিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমনের মোবাইল নম্বরে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
তবে জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান জানান, রোববার (৪ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় রয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তা যদি মনে করেন মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার সুযোগ রয়েছে, তাহলে তা করা হবে। অন্যথায় প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বরিশালের ছয়টি আসনের মধ্যে বরিশাল-৪, ৫ ও ৬ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়। শনিবার (৫ ডিসেম্বর) বরিশাল-১, ২ ও ৩ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।