গেল বছরের আগস্টে ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
তখন দাবি করা হয়, তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। অভিযোগ ছিল, লাগেজে মদ পাওয়ার পরও বিষয়টি প্রকাশ না করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের ছেড়ে দেয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিস্কার করেন মেহজাবিন।
আজ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই বিষয়ে নিজের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই।
প্রথমত, উল্লিখিত কোন ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠেনা। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।
আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?
দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারুরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়।
আমার বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি, এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যাপারে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই।’