জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে রাজসাক্ষী করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের সদস্যদের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনালে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর কেউ অনিয়মে জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান আমিনুল ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলোর তদন্ত সঠিক হয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে যদি ভুল বা গাফিলতি থাকে, তাহলে আইনি সুযোগ থাকলে তারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ওই মামলায় ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ‘অ্যাপ্রুভার’ (দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্য বিবরণ প্রকাশ করেন যে আসামি; সাধারণত তিনি রাজসাক্ষী হিসেবে পরিচিত) হিসেবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন; যা পরে মঞ্জুর করা হয়।
এই মামলার অপর দুই আসামি হলেন অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সাবেক আইজিপি রাজসাক্ষী হওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।