বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব দাবি করলেন গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ ও বদলিতে উপদেষ্টাদের প্রভাব, গোয়েন্দা সংস্থার কাছেও দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে
রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে শুক্রবার আয়োজিত ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী দিনের জনপ্রশাসন’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, “জুলাই আন্দোলনের রক্তের ওপর দিয়ে চেয়ারে বসা অন্তত আটজন উপদেষ্টার সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ আমার কাছে আছে। গোয়েন্দা সংস্থার কাছেও এসব তথ্য আছে, কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন উপদেষ্টার এপিএসের অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকা পাওয়া গেলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এছাড়া অনভিজ্ঞ উপদেষ্টাদের দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পরিচালনা করার সমালোচনা করেন তিনি।
সাবেক ও বর্তমান প্রশাসন ক্যাডারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বক্তারা বিগত সরকারের আমলাতান্ত্রিক অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়েও আলোচনা করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্যসচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোখলেস উর রহমানসহ অনেকে মত দেন প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে এবং আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারবর্গও বক্তব্য দেন, যেখানে তাঁরা ন্যায়বিচার ও ইতিহাস পাঠে এই আন্দোলনের ঘটনা অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান।