ব্যক্তিগত সম্মানহানি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ এনে আইনি
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টিউলিপ সিদ্দিকের নাম জড়িয়ে একাধিক প্রতিবেদন ও মন্তব্য প্রকাশিত হয়। এতে তাকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চলমান তদন্তে প্রভাব খাটানো ও একটি বিদেশি চক্রান্তের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এমন প্রচারকে ‘পুরোপুরি অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর’ বলে দাবি করে টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডন থেকে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন। এতে ড. ইউনূস এবং দুদককে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসব ‘অপপ্রচার’ প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
টিউলিপের আইনজীবী জানান,
“আমাদের মক্কেল বিশ্বাস করেন, এসব অপপ্রচারের উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিসাধন এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা।”
ড. ইউনূসের প্রতিক্রিয়া:
এই বিষয়ে ড. ইউনূস বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে উত্তর দেওয়া হবে।
দুদকের অবস্থান:
দুর্নীতি দমন কমিশনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,
“টিউলিপ সিদ্দিকের নাম তদন্তে নেই এবং এ বিষয়ে কমিশনের কোনো অফিসিয়াল বক্তব্য বা প্রচারণা পরিচালিত হয়নি।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনীতিবিদদের নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নানা গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এতে তাদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
টিউলিপ সিদ্দিকের উকিল নোটিশ মধ্যমপন্থী রাজনীতির প্রতি নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি কেবল আইনি নয়, কূটনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ভবিষ্যতে এই ঘটনার পরিণতি নজর কাড়বে দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।