দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সংলাপ জোরদারেই চীনের আগ্রহ, বিএনপি
চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (CPC) আন্তর্জাতিক বিভাগ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি নেত্রীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয়েছে যে, তারা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে চীনে স্বাগত জানাতে চায়। আমন্ত্রণটি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বাংলাদেশের রাজনীতি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও নানা কৌশলগত মোড় নিচ্ছে। দলীয় সূত্র জানায়, আমন্ত্রণপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে “আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সংলাপ এবং উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে পারস্পরিক মতবিনিময়কে এগিয়ে নিতে চায় সিপিসি।”
বিএনপির নেতারা এই আমন্ত্রণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। এক সিনিয়র নেতা বলেন,
“চীনের এই কূটনৈতিক আগ্রহ বিএনপির প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতার ইঙ্গিত দেয়।”
চীন-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সম্পর্ক:
বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গেও সিপিসি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে। এবার বিএনপিকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে আহ্বান করায় দুই দলের সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ স্পষ্ট।
বিশ্লেষকদের মত:
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের প্রভাব বজায় রাখতে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায়।
বিশেষজ্ঞদের ভাষায়,
“এটি কেবল রাজনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপনের উদ্যোগ।”
সিপিসির এই আমন্ত্রণকে কেবল একটি সফরের প্রস্তাব হিসেবে না দেখে রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করছেন অনেকে। সফরটি বাস্তবায়িত হলে দুই দলের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও কৌশল আদান–প্রদান এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন মাত্রা তৈরি হতে পারে।