সংলাপ ঘিরে উত্তেজনা, পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ
জাতীয় সংকট নিরসন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত এনসসিপির কার্যক্রম শুরু থেকেই বিতর্কের মধ্যে রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ চলাকালে একাধিক রাজনৈতিক দল অভিযোগ করে, কিছু সদস্য আসলে সরকারের ঘনিষ্ঠ অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের কমিশনে রাখা হয়েছে ‘এজেন্ট’ হিসেবে।
এক বিরোধী দলের মুখপাত্র বলেন,
“আমরা স্পষ্টভাবে দেখছি, সরকারের পক্ষ থেকে কিছু নির্দিষ্ট লোককে কমিশনের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে করে কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।”
কমিশনের প্রতিক্রিয়া:
এনসসিপির শীর্ষ এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“আমরা কমিশনের নিরপেক্ষতা রক্ষায় সচেষ্ট। সব পক্ষের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”
তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনের তরফ থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, যা আরও জল্পনার জন্ম দিচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ:
রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসসিপির ওপর আস্থা ফিরে আনতে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে। এজেন্ট ঢোকানোর মতো অভিযোগ যদি সত্য হয়, তাহলে এটি হবে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা।
ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা:
সংলাপের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে যদি অভিযোগগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত না হয়। বিরোধী দলগুলো এ বিষয়ে শিগগিরই লিখিত আপত্তি জমা দিতে পারে বলে জানা গেছে।
এনসসিপির উদ্দেশ্য ভালো হলেও সদস্য নির্বাচনে স্বচ্ছতার অভাব হলে তা পুরো প্রক্রিয়াকে কলুষিত করতে পারে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হলে কমিশনকে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে—এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।