জুলাই গণ‑অভ্যুত্থান উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াতের
পূর্ণিমাসব্যাপী কর্মসূচিতে আলোচনা, দোয়া, মিছিল ও সাংস্কৃতিক আয়োজন
প্রকাশিত :
২৮ জুন ২০২৫, ১০:১৬:০৩
কর্মসূচির পঠন‑পাঠন
- ১–৪ জুলাই: শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ব প্রাপ্তদের জন্য দোয়া ও দরিদ্রদের মধ্যে খাবার বিতরণ।
- ৮–১৫ জুলাই: শহীদ পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় ও দোয়া অনুষ্ঠান।
- ১৬ জুলাই: শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে রংপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া।
- ১৯ জুলাই: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘৭ দফা বাস্তবায়ন’ লক্ষ্যে জাতীয় সমাবেশ।
- ২০–২৪ জুলাই: সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম।
- ২৫–২৮ জুলাই: তথ্যচিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।
- ২৯–৩০ জুলাই: নারী ও ছাত্রীদের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
- ১ আগস্ট: জাতীয় সেমিনার ও শহীদ স্মারকের ইংরেজি–আরবি অনুবাদ মোড়ক উন্মোচন।
- ১–৩ আগস্ট: ছাত্রদের উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
- ৫ আগস্ট: দেশব্যাপী গণমিছিল ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।
- ৬–৮ আগস্ট: সাংবাদিক, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী ও আলেমদের উদ্যোগে আলোচনা সভা।
ঘোষণা ও নেতৃত্ব
বামগোজ রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার (২৮ জুন) সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করেন।কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেন ।
কর্মসূচির লক্ষ্য ও প্রেক্ষাপট
- সংগঠনটির দাবি: জুলাই‑আগস্ট গণ‑অভ্যুত্থান দেশের গণতান্ত্রিক চেতনার উত্থানে গুরুত্বপূ্র্ণ ।
- ৫ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালন ও ৮ আগস্টকে ‘বিপ্লব বেহাত দিবস’ হিসেবে উল্লেখ করার প্রস্তাব আনা হয়েছে উর্দ্ধমুখে ।
অনুষ্ঠানের বৈচিত্র্য ও জোট অংশগ্রহণ
এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন পেশাজীবি যেমন জমায়েত সদস্য, নারী, ছাত্র, শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রকৌশলী ও আলেম দের উদ্যোগে নানা পর্যায়ের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে ।
বিশ্লেষণ
- আন্দোলনটির মাপকাঠি বৃহৎ, কারণ এতে মাসব্যাপী পরিকল্পিত কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় দিবসের দাবি অন্যতম।
- ১১ দিনব্যাপী গণমিছিল, স্মরণসভা ও ডাকসাইটে অংশগ্রহণ রাজনৈতিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
- ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ৫ আগস্টকে তুলে ধরার মাধ্যম নিয়ে বিতর্ক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে।