নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমঝোতার আশা বড় দলগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে জল্পনা
আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ফের তিন দিনব্যাপী সংলাপের আয়োজন করেছে। সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এই সংলাপ শুরু হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৩০টি রাজনৈতিক দল এই সংলাপে অংশ নিচ্ছে।
সংলাপের লক্ষ্য: সহিংসতামুক্ত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান সাবেক প্রধান বিচারপতি এম হাসান উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,
“আমরা চাই একটি অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন। সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যকর সমঝোতা গড়ে তোলা এবং মূল বাধাগুলো চিহ্নিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আরও জানান, অতীতের সংলাপগুলো আংশিক অগ্রগতি এনে দিলেও চূড়ান্ত ঐকমত্য এখনও অধরা। এবার বৃহত্তর সমঝোতার ভিত্তি গড়ে তোলাই কমিশনের প্রত্যাশা।
বড় দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ
যদিও অনেক দল অংশ নিয়েছে, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির মতো বড় দলগুলো এখনো সংলাপে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই দলের অংশগ্রহণ ছাড়া সংলাপ পুরোপুরি অর্থবহ হবে না।
কমিশনের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে হলেও বড় দলগুলো সংলাপে যোগ দেবে।
আলোচনার মূল বিষয়
তিন দিনব্যাপী এই সংলাপে নিচের বিষয়গুলো বিশেষভাবে আলোচিত হবে:
সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলের আহ্বান
কমিশনের পক্ষ থেকে এক জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে: “রাজনীতিকে সংঘর্ষের পথ থেকে সরিয়ে আলোচনার টেবিলে আনাই এখন সময়ের দাবি। সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়।”