সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সিরিজ জয়। তবে পুরো সিরিজে বাংলাদেশের একাদশে সুযোগ পাননি সৌম্য সরকার। গত বছর বাংলাদেশের হয়ে সবশেষ ওয়ানডে ম্যাচে ৯১ রান করেছিলেন তিনি। তবু সদ্য শেষ হওয়া পাকিস্তান সিরিজের কোনো ম্যাচেই সুযোগ না পাওয়ায় তাকে নিয়ে চলছে নানান আলোচনা।
সিরিজ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সৌম্যকে একটি ম্যাচেও না খেলানোর কারণ ব্যাখ্যা দেন ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি একজন খেলোয়াড় যেন সুযোগ বেশি পায়। কোনো সন্দেহ নেই সৌম্য গত সিরিজটা অনেক ভালো খেলেছে। কিন্তু হয়তো কিছুদিন একটু ছন্দে ছিল না।’
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে না থাকলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে ফিরে দারুণ পারফরম্যান্স করে সিরিজসেরা হয়েছেন তানজিদ তামিম। তবে প্রথম দুই ম্যাচে সাইফ হাসান রান পাননি (৪ ও ১২)। তারপরও তাকে বসানো হয়নি কেন? এই প্রশ্নে মিরাজ বলেন, ‘সাইফকে বসিয়ে যদি সৌম্যকে খেলাতাম তাহলে দুইটা জিনিস হতো। ওরও আত্মবিশ্বাসটা নেমে যেত। সৌম্য যদি এই ইনিংসটা আল্লাহ না করুক খারাপ খেলত তাহলে ওর জন্যও কঠিন হতো।’
টিম ম্যানেজমেন্ট পুরো সিরিজেই সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিমকে ওপেনিংয়ে সুযোগ দিতে চেয়েছিল বলেও জানান তিনি। মিরাজ বলেন, ‘যেহেতু একটু স্ট্রাগল করেছে। তানজিদ তামিম সর্বশেষ সিরিজে খেলেনি, সৌম্য ও সাইফ ব্যাট করেছে। আমাদের প্ল্যান ছিল, যেহেতু কম ছন্দে আছে, তামিম ও সাইফকে দিয়ে ওপেন করাব। অনেক সহজ হতো আমাদের জন্য।’
তবে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে সৌম্য সরকার পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলবেন বলেও নিশ্চিত করেছেন মিরাজ। তিনি বলেন, ‘একটা ব্যাটারকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া উচিত, যে জিনিসটা আমরা করেছি। তখন নিজে থেকে বুঝতে পারবে। সৌম্য যখন আবার খেলবে, সে-ও সুযোগ পাবে। এমন না একটা খেলেই বাদ পড়ে যাবে। পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে। গতবার তিন ম্যাচেই সুযোগ দিয়েছি, তামিমকে খেলাইনি। আমাদের পরিকল্পনা এমন। কেউ সুযোগ পেলে যেন ৩-৪ ম্যাচ সুযোগ পায়, নিজেকে মেলে ধরতে পারে।’