বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
| ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
আদালতের নথিতে কলমের এক খোঁচায় গায়েব হয়ে গেল ১৬ কেজি স্বর্ণ! সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জব্দ হওয়া সাড়ে ১৭ কেজি স্বর্ণ হাইকোর্টের নথিতে হয়ে গেল মাত্র দেড় কেজি। এই জালিয়াতির মাধ্যমে আসামিরা জামিন নিয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে গেলেও, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিচার বিভাগে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
রাজধানীর উত্তরার খোদ প্রাণকেন্দ্রে বসে যেন ‘সনদ জালিয়াতির’ এক ডিজিটাল হাট খুলেছিলেন একেএম আবু রায়হান। তার প্রতিষ্ঠানের নামের মধ্যে আছে ‘প্রফেশনাল’ শব্দটি। পর্দার আড়ালে জালিয়াতিতেও তিনি ছিলেন সমান ‘প্রফেশনাল’। পঞ্চম শ্রেণি পাস সাধারণ এক গাড়িচালককে রাতারাতি ‘বিলেত ফেরত গ্র্যাজুয়েট’ বানিয়ে দেওয়া কিংবা লাখ টাকার বিনিময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া অনার্স সনদ হাতে ধরিয়ে দেওয়া—সবই ছিল তার ইশারায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই ভয়ংকর জালিয়াতির আখড়া ও আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মাস্টারমাইন্ড আবু রায়হান এখন পুলিশের খাঁচায়। নাগরিক প্রতিদিনের বিশেষ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের ১১ তলায় গড়ে তোলা সেই অন্ধকার জালিয়াতির পাহাড় ও কোটি কোটি টাকার প্রতারণার রোমহর্ষক সব তথ্য।
র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্বাচনে জাল ভোট, ব্যালট ছিনতাইকারীরা ঝুঁকিতে থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।