শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
| ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
আবারও ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধবিরতি ও চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, হরমুজ প্রণালির কৌশলগত কেশম দ্বীপে তারা ‘আত্মরক্ষামূলক’ অভিযান চালিয়েছে। এর মধ্যেই দ্বীপটিতে দফায় দফায় বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম। পাল্টা হামলার দাবিও করেছে তেহরান। ফলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তেহরান দাবি করেছে, তাদের নতুন প্রজন্মের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এখন শুধু ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন ঠেকাতেই সক্ষম নয়, বরং আধুনিক যুদ্ধবিমানকেও চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই সামরিক অগ্রগতি সত্যিই কার্যকর প্রমাণিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশযুদ্ধের চিত্র বদলে যেতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, খুব শিগগিরই তারা হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের জন্য নতুন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ঘোষণা করবে, যার মধ্যে টোল বা ফি আদায়ের বিষয়ও থাকতে পারে। এই খবরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দ্রুত কোনো শান্তিচুক্তি না হলে তেহরানকে ‘খুব খারাপ সময়ের’ মুখোমুখি হতে হবে।
খামেনি বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরে ছায়াযুদ্ধ চলেছে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, সাইবার হামলা, গোপন গুপ্তচরবৃত্তি। এখন সময় এসেছে সরাসরি জবাব দেওয়ার। যুদ্ধ এখন কেবল সম্ভাবনা নয়, বাস্তবতা।”