ইরানে গত কয়েক বছরের মধ্যে হওয়া সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ফোয়াদ ইজাদি বলেছেন, গত কয়েকদিনে বড় ধরনের কোনো বিক্ষোভই আর হয়নি। পরিস্থিতি এখন পুরোপরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে প্রফেসর ফোয়াদ জানান, গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় আমি কোনো বিক্ষোভ দেখিনি। আমরা আর কোনো দাঙ্গাও দেখিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির ডাকে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে ওইদিনই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় সরকার। যা এখনো চলমান আছে।
ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নের ব্যাপারে এ প্রফেসর জানান, নিরাপত্তার জন্য সরকার এ কাজ করেছে। গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরানের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, মোসাদের গুপ্তচররা ইরানের (ইন্টারনেট) অবকাঠামো ব্যবহার করে যোগাযোগ করেছে এবং একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার পরিচালনা করেছে। যা পরে খুঁজে পাওয়া যায়।
এছাড়া বিক্ষোভের সময় অনেক দাঙ্গাবাজ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এমনকি যেসব দোকানদার তাদের দোকান বন্ধ রাখেননি তাদেরও গুলি করেছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বলেও জানান তিনি।
আল জাজিরার পৃথক এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার (১২ জানুয়ারি) থেকে সরকারপন্থিরাই রাজপথে অবস্থান করছেন, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা কমেছে।