জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার এক গ্রামে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কর্তনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন বলে নিশ্চিত করেছেন ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী। রোববার (১ মার্চ) রাতে পৌর এলাকার মুন্দাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, মুন্দাইল গ্রামের আজমাদ হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪২) একই গ্রামের এক নারীর ঘরে জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দেন। এ সময় দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে ওই নারী ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত করলে অভিযুক্তের পুরুষাঙ্গ কেটে যায় বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর স্বামী মুকুল হোসেন বলেন, ‘এর আগেও নজরুল ইসলাম বিভিন্নভাবে আমার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন। সামাজিক সম্মানের কথা ভেবে বিষয়টি প্রকাশ করিনি। ঘটনার দিন আমার স্ত্রী ঘরে বসে পায়ের নখ কাটছিল। এ সময় নজরুল ঘরে ঢুকে পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরে। পরে আমার স্ত্রী কৌশলে তাকে বিছানায় শুতে বলে এবং ব্লেড দিয়ে তার পুরুষাঙ্গে আঘাত করে।’
তিনি আরও জানান, ‘এ ঘটনায় আমার স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে।’
অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম (নজু)-এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘এমন কিছুই ঘটেনি’ বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী সোমবার বেলা ১১টায় নাগরিক প্রতিদিন-কে বলেন, ভুক্তভোগী গৃহবধু থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের টিম মাঠে কাজ করছে এবং তাকে আটক করতে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।