মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সূচিতে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সোমবার (২ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত মোট ২৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে, মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আগত একাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে।
সোমবার একাধিক ফ্লাইট বাতিলের কথা নিশ্চিত করেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল। তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী দুটি ডিপার্চার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ডিপার্চার ও একটি এরাইভাল ফ্লাইট এবং এয়ার আরাবিয়ার একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে। বিকেলে এয়ার আরাবিয়ার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত আরও দুটি এরাইভাল ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়। ইউএস বাংলার আরও একটি ডিপার্চার ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।
তবে মাস্কাট রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। সালাম এয়ারের ফ্লাইট ওভি-৪০১ সোমবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে শাহ আমানতে অবতরণ করে। পরে ওভি-৪০২ ফ্লাইট সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে যাত্রী নিয়ে মাস্কাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এদিকে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৩৫ জেদ্দা থেকে এসে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। একই উড়োজাহাজ দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে বিধিনিষেধ ও গন্তব্য বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম সীমিত থাকায় ফ্লাইট পরিচালনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।