দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। তাই পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ির পথে রওনা হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। তবে বাড়তি ভাড়া, বৃষ্টির কারণে যাত্রীর তুলনায় পর্যাপ্ত বাস না থাকায় অনেক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক ও পিকআপের ছাদে উঠে বাড়ি ফিরছে।
ঈদের আগের দিন সকাল থেকেই অনেকে বিভিন্ন গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ময়মনসিংহগামী যাত্রী আতিকুল ইসলাম ও সখিনা বলেন, ‘গার্মেন্টস ছুটি হয়ে গেছে। পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছি। সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছি, কিন্তু বৃষ্টি থামেনি। তাই বাধ্য হয়েই বৃষ্টির মধ্যেই যাত্রা শুরু করেছি।’
ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে কথা হয় ফেরদৌস হোসেন নামে এক যাত্রীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা গাড়ি না পেয়ে চৌরাস্তা হতে ট্রাকে উঠেছিলাম। বৃষ্টি শুরু হওয়ায় নেমে গিয়েছি কিন্তু অনেক যাত্রী ভিজে ভিজেই যাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে এবার যানজট আরও বেশি হবে৷’
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, ‘রাতেও বৃষ্টি হয়েছে। সকালে স্বাভাবিক ছিল কিন্তু আবারও বৃষ্টি নামায় ভোগান্তি বেড়েছে ঘরমুখো মানুষের। যানজট ও ভোগান্তি কমাতে কাজ করছে হাইওয়ে জেলা ও থানাসহ সব পুলিশ।’
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বলেন, ‘গাজীপুরে প্রায় পাঁচ হাজার ছোট-বড় শিল্পকারখানা রয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে অধিকাংশ গার্মেন্টস কারখানা ছুটি হয়ে গেছে। এছাড়া রাত থেকে বৃষ্টি হওয়ায় মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে ধীরগতির কারণে কিছুটা যানজট দেখা দিয়েছে। তবে ছুটি ধাপে ধাপে দেওয়ায় এবং উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ সড়কের উন্নয়নকাজ শেষ হওয়ায় এবার যানজট তুলনামূলক কম রয়েছে।’