কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্তে নজরদারি বেড়েছে, পাচারকারীরা সাগরপথে চালাচ্ছে বড় চালান
২০২১ সালে প্রথমবার কক্সবাজারে ভয়ঙ্কর মাদক ক্রিস্টাল মেথ বা আইস ধরা পড়ে। এরপর থেকে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার পাশাপাশি আইসের চালান আসা বাড়ছে। নাফ নদ ও স্থল সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের টহল বাড়ানোয় পাচারকারীরা এখন সমুদ্রপথকে নতুন রুট হিসেবে বেছে নিয়েছে।
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ৩৬ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বাজারমূল্য প্রায় ১১০ কোটি টাকা। এ সময়ে আটক হয়েছে ৪২ জন পাচারকারী এবং দায়ের হয়েছে ৫৯টি মামলা।
র্যাব ও বিজিবি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, পাচারকারীরা মাছ ধরার ট্রলার ব্যবহার করে মিয়ানমার উপকূল থেকে ইয়াবার বড় চালান এনে বঙ্গোপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় জমায়। এরপর সেখান থেকে কক্সবাজার, টেকনাফ, বাঁশখালী, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পটুয়াখালী, কুয়াকাটা ও চট্টগ্রামের নির্জন উপকূলীয় পয়েন্ট দিয়ে ঢুকিয়ে দিচ্ছে।
বিজিবির রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, শুধু নাফ নদ নয়, সমুদ্রপথেও টহল ও নজরদারি বাড়াতে হবে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় নজরদারি না থাকায় পাচারকারীরা সুযোগ নিচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটনে এগিয়ে গেলেও মাদক ও চোরাচালানের কারণে পিছিয়ে পড়ছে টেকনাফ। তাই দ্রুত বিশেষ অভিযান চালানো না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।