দিনাজপুর জেলার হাকিমপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হতেই দেশের বৃহত্তম পাইকারি পণ্যের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) মাত্র এক ট্রাক ভারতীয় পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জ বাজারে আসে, যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই কেজিপ্রতি ১১৫ টাকায় বিক্রি হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের এই পরিমাণ খুবই কম। তবে আমদানি বাড়লে দাম আরও কমবে। আগামী এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়িরা।
এর আগে, গত তিন মাস পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। গত রোববার থেকে থেকে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। আমদানির খবরে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের দাম গত দুদিন ধরে ২০–৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
খাতুনগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশীয় পুরাতন পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। গত রোববার কেজি ৯০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশীয় পুরাতন পেঁয়াজ সোমবার (৮ ডিসেম্বর) ৮৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে বাজারে এলো নতুন দেশীয় মুড়িকাটা পেঁয়াজ কেজিপ্রতি মানভেদে ৬৫–৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, দেশীয় রসুন কেজিতে ৪৫ থেকে ৬৫ টাকা, চায়নার রসুন ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা, দেশীয় আদা ১০০ টাকা এবং ভারতীয় আদা ১০৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে তেলের বাজারেও সামান্য মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। খোলা পাম তেল লিটারপ্রতি ১৪৪ টাকা এবং সয়াবিন তেল ১৬৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে যথাক্রমে ১৪৩ ও ১৬৭ টাকা ছিল।
খাতুনগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ী মেসার্স মোহাম্মদীয়া বাণিজ্যালয়ের মো. জাফর আলম বলেন, দেশীয় পেঁয়াজের পাশাপাশি ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় গত দুদিন দাম কমতির দিকে। গতকাল ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও আজ ৫ টাকা কমে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হামিদুল্লাহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, দেশীয় উৎপাদন ও আমদানির ফলে পেঁয়াজের বাজারে প্রভাব পড়েছে। গত দুদিন ধরে দাম কমছে, সামনে আরও কমতে পারে।