জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখভাগের যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর শুনে তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি শহরের খাসমহলের বাসায় আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে আসেন। হাদির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুর থেকে হাদির মৃতদেহ ঢাকায় আসবে। আগামীকাল (শনিবার ২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে বাদ জোহর তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে পরিবার। নলছিটিতে মৃতদেহ কখন নিয়ে আসা হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে এবং হাদির অনুসারিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এসময় হাদির মৃত্যুর ঘটনায় জাড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন তার প্রতিবেশীরা। জুলাই বিপ্লবের পরে হাদির মতো একজন বীরযোদ্ধাকে কেন নিরাপত্তা দেওয়া হলো না, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ওসমান হাদির বাসায় বর্তমানে তার বোন মাছুমা সুলতানা বিন হাদি ও ভগ্নিপতি আমির হোসেন আছেন।
এলাকাবাসীর দাবি হাদির মৃতদেহ যেন নলছিটিতে এনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বক্স কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময়ে মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।