ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে ঝালকাঠিতে বিক্ষোভ করেছে সর্বস্তরের জনগণ। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে শহরের ফায়ার সার্ভিস মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে ‘তুমি কে আমি কে হাদি হাদি, আমরা সবাই হাদি হবো যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘এক হাদি লোকান্তরে লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘ইনসাফের কথা কবো আমরা সবাই হাদি হবো, ‘ভারতের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান’ এসব স্লোগান দেওয়া হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঝালকাঠি জেলার মুখপাত্র সাকিবুল ইসলাম রায়হান বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনের অগ্রসেনানী ও ‘ইনসাফের বাংলাদেশ’ গড়ার রূপকার শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি। হাদি হত্যার বিচার না হলে জুলাই আর থাকবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন ফেরদৌস ইফতি বলেন, আজকে এতেদিন পার হয়ে গেলেও ওসমান হাদি ভাইর খুনিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের আমলেও হত্যা করে খুনিরা পার পেয়ে গেছেন এই অন্তবর্ত সরকারের সময়ে খুনিরা পালিয়ে যায়। এটা তাদের ব্যর্থতা। আমরা চাই খুনিকে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হোক।
গত ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) দুপুরে হত্যার উদ্দেশে তাকে গুলি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর ওসমান হাদির মৃত্যু হয়। পরে তাকে দেশে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদের পাশে (জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে) দাফন করা হয়।