পৌষের হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের দাপট কমেনি। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। ঘন কুয়াশা ও তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষিশ্রমিকরা। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত চার দিক ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির ফোঁটার মতো ঝরছে কুয়াশা। সূর্যের দেখা না মেলায় দিনের বেলাতেও হিমেল বাতাসে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।
এদিকে শীতের প্রকোপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জ্বর, সর্দি-কাশি, আমাশয়, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগ। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্করাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে ৭৮ জন। বর্তমানে ২৫০ শয্যার বিপরীতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৮ জনে।
চিকিৎসকরা শীতজনিত রোগ থেকে বাঁচতে গরম কাপড় ব্যবহার, বিশুদ্ধ পানি পান ও প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।