ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি ‘মব’ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবুবকর সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অভিযোগ আনা হয়।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি ও সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে এ চিঠি পাঠিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছে মতবিনিময়কালে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আশা করি প্রশাসন, পুলিশ, কমিশন, সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। কাউকে ডান চোখ, কাউকে বাম চোখে দেখবেন না। আপনাদের ৫ আগস্টের কথা মনে রাখতে হবে। নিরপেক্ষতা না থাকলে সারা বাংলাদেশে যেমন ৫ আগস্ট হয়েছিল তেমনিভাবে যেকোনো আসনে ৫ আগস্ট ঘটতে পারে।
চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে প্যান্ডেল করে বিশাল জনসমাবেশের আয়োজন করেন রুমিন ফারহানা, যা নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন। তাৎক্ষণিকভাবে সমাবেশ ভেঙে দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জুয়েল মিয়া নামের একজনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় রুমিন ফারহানা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে আক্রমণাত্মকভাবে বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন ও আঙুল উঁচিয়ে বারবার হুমকি প্রদর্শন করেন।
চিঠিতে বলা হয়, এসময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে থাকা জুয়েল মিয়াসহ মারমুখী আচরণ করেন। এতে মব সৃষ্টি করে বিচারিক কাজে বাধা ও ম্যাজিস্ট্রেটকে দেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি লিঙ্ক উল্লেখ করা হয়।
অবশ্য রুমিন ফারহানা বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর সভা থেকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেওয়ার বিষয়টি বলতে গিয়ে এইরকম দেখায় বলেছি। আশা করি প্রশাসন কারো পক্ষ নেবে না।’