রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপির এক নেতাসহ দুজন আহত হয়েছেন। আহত বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে (৪৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড) ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেন একটি চায়ের দোকানে কয়েকজনের সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কারে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে আলমগীর হোসেনের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। এ সময় পথচারী জোসনা (৬৫) নামে এক নারীও গুলিবিদ্ধ হন। তার পায়ে গুলি লেগেছে। তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর হোসেন দাবি করেন, হামলাকারী চারজন একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে তারা একই গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। তিনি হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে যুবলীগের রুবেল ও বাপ্পী হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তবে কেন তার ওপর হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে ভাইয়ের সঙ্গে তার মাছের আড়তের ব্যবসা রয়েছে। নবাবগঞ্জ রোডে তাদের বাড়ি হলেও বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে বসবাস করেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মাদক ব্যবসা-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলের সঙ্গে আলমগীরের শত্রুতা তৈরি হয়েছিল। এর জের ধরেই এ হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল বিএনপি নেতা আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি এবং এক পথচারী আহত হন। হামলার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।