এবারের এইচএসসি ও সমমানের রসায়ন দ্বিতীয় পত্রের সৃজনশীল পরীক্ষার কয়েকটি প্রশ্নে ভুলের অভিযোগ উঠলেও তা ঠিক নয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড। এদিকে উত্তরপত্র মূল্যায়নের নির্দেশিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর ও নম্বর বণ্টন কীভাবে হবে, তা বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
আংশিক উত্তরে পরীক্ষার্থীরা আংশিক নম্বর পাবেন, অপ্রাসঙ্গিক বা ভুল উত্তর দিলে কোনো নম্বর পাবেন না। রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানান, খাতা মূল্যায়নসংক্রান্ত নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে, পরীক্ষার্থীরা যদি বিক্রিয়ার অর্ধসমীকরণ পূর্ণ করতে পারেন, সঠিক সূত্র লিখতে পারেন কিংবা কোনো নির্দিষ্ট ধারণার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেন, তাহলে তারা আংশিক নম্বর পাবেন।
প্রতিটি সৃজনশীল প্রশ্নের (ঘ) অংশে উচ্চতর দক্ষতার জন্য ৪ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যেখানে গাণিতিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া আবশ্যক।
এর আগে, গত বুধবার (২২ জুলাই) এইচএসসির রসায়ন দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। তবে প্রশ্নটিতে কয়েকটি ভুলের অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা; যা নিয়ে পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্তি ও মানসিক চাপের মুখে পড়েছেন বলে তারা জানিয়েছেন। ১, ৫, ৬ ও ৮ নম্বর উদ্দীপকে ভুল আছে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, সেটির বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। প্রশ্নে কোনো ভুল হয়নি। মূলত কিছু কোচিং সেন্টারের মালিকরা এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।
কর্মকর্তারা আরও বলেন, এবার প্রায় ১২ লাখ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীই প্রায় আট লাখ। অথচ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তেমন কোনো অভিযোগ আসেনি। বরং কিছু কোচিং সেন্টার প্রশ্ন নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে। আমাদের দৃষ্টিতে প্রশ্নের মান ভালো হয়েছে এবং প্রশ্নে কোনো ত্রুটি নেই।