রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৪৫ জন আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদের সময় এই হামলা চালানো হয়।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপরদিকে তাদের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জাহান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন—মো. শাহজাহান (৩২), অপূর্ব ইসলাম (২২), শরিফুল ইসলাম নিলয় (১৯), মো. জাহিদ হাসান হৃদয় (২৫), মো. শাহেদ ভূইয়া (২০), বুলবুল আহমেদ (২৬), দীপক হাজরা (২৬), মো. মান্না হোসেন (২৫), ইয়াছিন আরাফাত অর্নব (২৫), মো. আশরাফ উদ্দিন (৩০), মো. শাহ জালাল (২৮), মো. শাহিন (২১), মো. নাইম (২১), সাইদুর রহমান (১৯), ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয় (২১), মো. রমজান (১৯), মো. সাব্বির হোসেন (২৪), মো. শাহিন (২৬), মো. তরিকুল ইসলাম রিফাত (১৯), মো. মঈন হোসেন রাজন (২২), মো. অনিক হোসেন (২৭), মো. তরিকুল ইসলাম (২৪)।
আরও হলেন—মো. রিফাত হোসেন (২৩), মো. হানিফ মিয়া (২৫), মো. শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি (৩২), মো. সোহানুল হক (২৪), মো. তারেক আজিজ (২৮), মো. সাজ্জাদ ইসলাম (১৯), মো. শিপন (২৩), মো. এজাজ হোসেন সিয়াম (২৪), মো. উনায়েস ইমরান (২৪), মো. মনিব আক্তার (২৫), মো. হারিজ (২৮), মো. সাব্বির হোসেন বিজয় (২২), এস এম মতিউর রহমান (৪৮), মো. রাজন শেখ (৩১), মো. আবু সাদিক রাকিব (২৯), মো. মামুন ব্যাপারী (২৪), মো. মজিবুর রহমান (৩২), মো. সালাহ উদ্দিন ব্যাপারী (৪০), মো. আমিনুল ইসলাম নাঈম (২৫), মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (২৩), মো. আব্দুল্লাহ সবুজ (৩১), মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৮) ও সৈয়দ আহমেদ শুভ (২৬)।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। এর প্রতিবাদে ৫০০/৬০০ জন বিক্ষোভকারী আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে হামলা চালায়। হামলায় ভবনের বাইরের কাঁচের দেয়াল ও সামনে থাকা একটি এসি স্টাফবাস ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।