শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (১৬ মার্চ) থেকে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে রোববার আসন দুটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচনী প্রচার বন্ধ হবে।
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, এই আসনের সাধারণ নির্বাচনে মোট তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এক প্রার্থী কাঁচি প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় আসনটিতে জামায়াত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে ইসি। পরবর্তীতে নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফজলুল করিম জানিয়েছেন, এই আসনের উপ-নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী রয়েছেন। রোববার তাদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবিদুর রহমান নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এক প্রার্থী ফুলকপি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ভালো বলেও জানান তিনি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জয়লাভ করেন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনে সদস্য থাকার বিধান না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। এরপর আসনটিকে শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে ইসি।