ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৯ জনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এক আদেশে ভারপ্রাপ্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয় ইসি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৪ অনুসারে রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে বণ্টন করা সংরক্ষিত মহিলা আসনসমূহের ভিত্তিতে ধারা ২৬(২) অনুসারে নির্বাচন কমিশন এতদ্বারা জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে ‘সংসদ সদস্য’ হিসাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম, পিতা/স্বামীর নাম এবং ঠিকানা প্রকাশ করিতেছে।
এই তালিকায় বিএনপির মনোনীত ৩৬ নারী সংসদ সদস্য, জামায়াত মনোনীত ১২ জনের এবং স্বতন্ত্র একজনের নাম ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দিন খান বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী গত ১৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী গতকাল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। যেহেতু শূন্য পদের সংখ্যা এবং জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা সমান, তাই সংরক্ষিত মহিলা আসন আইন-এর ১২(২) ধারা অনুযায়ী আগামীকাল সংরক্ষিত মহিলা আসন আইনের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২৬ এপ্রিলে প্রকাশিত বৈধ ৪৯ জন প্রার্থীর তালিকা কমিশনে উপস্থাপন করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনিরা শারমিন এবং নুসরাত তাবাসসুমের বিষয়ে তিনি বলেন, একজন প্রার্থী কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করেছেন, তবে এ বিষয়ে এখনো আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।
এছাড়া নুসরাত তাবাসসুম রিট দায়ের করেছেন এবং তার রায়ের কপি আমাদের কাছে দিয়েছেন। আদালত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই (স্ক্রুটিনি) করে নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছি। যেহেতু তার যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়নি তাই তার নাম এই প্রকাশিত তালিকায় আপাতত রাখা হয়নি বলেও জানান তিনি।