চীন সফরের তৃতীয় দিনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় দেশটির দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ শীর্ষক এই সম্মেলনের প্ল্যানারি সেশন শুরু হয়। স্থানীয় সময় দুপুরে বক্তব্য রাখতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সেশনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।
সেশনে বাংলাদেশ ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ যোগ দেন।
সেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সরকার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।
সেশনের ফাঁকে বিশ্বনেতারা ফটোসেশনে অংশ নেন।
চীনের দালিয়ানে ১৭তম বার্ষিকী সামার দাভোস ফোরামের কর্মসূচী শেষ করে বুলেট ট্রেনে বেইজিং যাবেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান। সেখানে অংশ নেবেন বিভিন্ন কর্মসূচিতে।
আগামী তিন দিন চীনের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী ও বহুজাতিক কোম্পানির প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা আছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এছাড়াও চলতি সফরে চীনের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলাদা করে বৈঠক করবেন তিনি।
আসন্ন বৈঠকে, বিভিন্ন খাতের অন্তত ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এছাড়াও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে তিস্তা ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে চীনের অর্থায়ন ও সহযোগিতা। একইসঙ্গে, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
তবে এই সফরে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে চীন থেকে ২৪টি যুদ্ধ বিমান কেনার প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে।