মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, সরকার ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘চব্বিশের ১৬ জুলাই দুটি অত্যন্ত আলোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটেছিলো। যার প্রভাব শুধু দেশের ভেতরেই নয়, বরং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। যা আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তুলেছিলো।’
সরকার শহীদ আবু সাঈদ ও শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের স্মরণে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর তৎকালীন নিপীড়নের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন বা প্রতিরোধের সূচনা’ শিরোনামে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
এরপর ১৮ জুলাই দেশব্যাপী ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’ পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই দিন আর্মি স্টেডিয়ামে একটি বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও প্রতিবাদী গানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২৪ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে একটি বিশেষ সমাবেশের আয়োজন করা হবে।
পাশাপাশি আগামী পাঁচ আগস্টকে ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করবে সরকার। এ দিন চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।