জাতীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা রক্ষায় সরকারের উদ্যোগ, হাউজিং প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়া শুরু
বহু চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে গঠিত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে ১৯৭৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ ঘটনায় নিহত শহিদদের পরিবার বহুদিন ধরে নানা দাবি জানিয়ে আসছিল। সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে শহিদ পরিবারদের আবাসনের জন্য ঢাকায় ফ্ল্যাট বরাদ্দের একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
কী বলছে সরকার:
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর একটি সরকারি হাউজিং প্রকল্পে (সম্ভবত পূর্বাচল বা মিরপুর) এই ফ্ল্যাটগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে।
প্রাথমিকভাবে ১০টি শহিদ পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।
গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “জাতীয় ইতিহাসে অবদান রাখা পরিবারগুলোকে আবাসন সুবিধা দিয়ে সম্মান জানানো হবে। এটি নৈতিক দায়িত্বও বটে।”
শহিদ পরিবারগুলোর প্রতিক্রিয়া:
শহিদ পরিবারগুলোর একজন প্রতিনিধি বলেন, “আমরা বহু বছর ধরে ন্যায্য স্বীকৃতি ও সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত ছিলাম। অবশেষে সরকার এ বিষয়ে গুরুত্ব দিল, এটি স্বস্তির।” তবে অনেকেই দাবি করছেন, শুধু আবাসন নয়, শহিদ পরিবারের সন্তানদের চাকরি, শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধাও নিশ্চিত করা উচিত।
বিশ্লেষকরা যা বলছেন:
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইতিহাসবিদরা মনে করেন, “এই ধরনের পদক্ষেপ শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণই নয়, বরং জাতির ইতিহাস চর্চাকে আরও শক্তিশালী করে।” তাঁরা সরকারের এমন পদক্ষেপকে “দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হলেও সময়োপযোগী” বলে উল্লেখ করেছেন।
পরবর্তী পরিকল্পনা: