লন্ডনে তারেক রহমান ও ইউনূস সরকারের ঘরোয়া বৈঠকে
রাজনৈতিকভাবে নিস্তেজ সময় পেরিয়ে নতুন গতি খুঁজছে বিএনপি। সেই মুহূর্তেই লন্ডনের হাইড পার্কের পাশে একটি ব্যক্তিগত রেস্তোরাঁয় বৈঠকে বসেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রবীণ কূটনীতিক ইউনূস সরকার।
সূত্র বলছে, এই বৈঠকটি ছিল “একান্ত ও দীর্ঘ” যেখানে আগামী নির্বাচন, অন্তর্দলীয় জোট সম্প্রসারণ, এবং বিএনপির নতুন ইমেজ পুনর্গঠনের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় উঠে এসেছে প্রবাসী জনসমর্থন, আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং মিডিয়া ব্যবস্থাপনা কৌশল।
আলোচনার মূল ফোকাস:
২০২৫ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না নাকি চাপ সৃষ্টি?
ইন্টারিম সরকারের রূপরেখা ও নেতৃত্ব কে?
বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর কৌশল
প্রযুক্তিনির্ভর প্রচার এবং তরুণ ভোটার আকর্ষণের পলিসি
বিএনপির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, “এই বৈঠক বিএনপির ভেতরে ভেঙে পড়া আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বহুদিন পর দুই অভিজ্ঞ নেতার সরাসরি আলোচনা দলকে কৌশলগত শক্তি দেবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত: বিষয়টি বিশ্লেষণ করে একজন রাজনীতিবিদ বলেন, “যদি ইউনূস সরকার সক্রিয়ভাবে ফিরে আসেন, তাহলে বিএনপির ‘টেকনোক্র্যাটিক ভার্সন’ নতুনভাবে প্রকাশ পাবে। এটা হয়তো আওয়ামী লীগের ওপর একটি বুদ্ধিবৃত্তিক চাপ তৈরি করবে।”
অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, এই ধরনের বৈঠক রাজনৈতিক নাটকীয়তা বাড়াতে পারে, তবে মাঠপর্যায়ের সংগঠন ছাড়া এগিয়ে যাওয়া কঠিন।
আন্তর্জাতিক দৃষ্টি:যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় কিছু মিডিয়ায় ইতোমধ্যে এ বৈঠকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈঠকটি ‘আন্তর্জাতিক বার্তা’ পাঠানোর চেষ্টা, যাতে দেখানো যায় বিএনপি এখনও সংগঠিত এবং নেতারা সক্রিয়।
বিএনপি কর্মীদের প্রতিক্রিয়া:দলের তৃণমূল পর্যায়ে এই বৈঠক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। একজন ছাত্রদল নেতা বলেন, “আমরা নতুন করে সংগঠিত হচ্ছি, এই বৈঠক তারেক রহমানের নেতৃত্বকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়েছে।”