আড়কাঠির ছদ্মবেশে সীমান্ত পেরিয়ে আসছিল ইয়াবার চালান
অভিযান ও গ্রেপ্তার
সোমবার গভীর রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করা একটি পিকআপ ভ্যান থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে ৫৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়, যা গাড়ির চালানের পণ্য পরিবহনের কার্টনের নিচে লুকানো ছিল।গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে একজন পণ্য পরিবহনের লাইসেন্সধারী এবং অন্য দুইজন সহকারী ছিল। তাদের সকলেই দীর্ঘদিন ধরে মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে সেনাবাহিনীর দাবি।
চক্রের কৌশল
চক্রটি বৈধ ব্যবসার আড়ালে সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ মাদক এনে দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহ করত। তাদের কাছে ভুয়া চালানপত্র, পণ্য পরিবহনের অনুমতিপত্র এবং পেশাদার ব্যবসায়ী সনদ ছিল।vএইসব কাগজ ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ এড়িয়ে মাদক পাচার করা হতো বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়:
“মাদক নির্মূলে আমাদের নজরদারি অব্যাহত আছে। যে কোনো ছদ্মবেশেই থাকুক না কেন, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই অভিযান প্রমাণ করে যে, মাদক চক্র এখন আরও চতুর ও সংগঠিতভাবে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া এমন জটিল চক্র নিয়ন্ত্রণ কঠিন। সেনাবাহিনীর তৎপরতা দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।