দলের নীতিগত অবস্থান ও সাংগঠনিক কাঠামো আরও
গঠনপ্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য পুনর্নির্ধারণ
দলের নীতিগত অবস্থান ও সাংগঠনিক কাঠামো আরও আধুনিক ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক করতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ।
তিনি বলেন,
“আমরা এমন একটি রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করতে চাই, যেখানে জনগণের মতামত ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।”
আট দফা সিদ্ধান্তের মূল বিষয়সমূহ:
১. নেতৃত্ব কাঠামো পরিবর্তন: কেন্দ্রীয় কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও যৌথ নেতৃত্ব ব্যবস্থার প্রস্তাব।
২. ভোটাধিকার প্রসার: দলীয় নির্বাচন ও নীতিনির্ধারণে প্রত্যেক সদস্যের সমান ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।
৩. নারী ও যুব প্রতিনিধিত্ব: কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতে নারী ও তরুণদের জন্য কোটা চালু।
৪. জেলা কমিটির ক্ষমতায়ন: প্রতিটি জেলা কমিটিকে স্বায়ত্তশাসিত কার্যক্রম চালানোর অনুমোদন।
৫. নীতিনির্ধারণী ফোরাম গঠন: পলিসি মেকিং-এর জন্য স্বতন্ত্র বুদ্ধিজীবী ফোরাম গঠনের সিদ্ধান্ত।
৬. আর্থিক স্বচ্ছতা: দলীয় অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে বার্ষিক নিরীক্ষা বাধ্যতামূলক।
৭. আদর্শিক আপডেট: গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নতুন রাজনৈতিক দর্শন।
৮. ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন: সদস্য তালিকা ডিজিটালাইজ ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন চালু করা হবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দলীয় বার্তা
নেতৃবৃন্দ জানান, এই সংশোধনীর মাধ্যমে তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে চান। দলটি আগামীতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কর্মশালা এবং সভার মাধ্যমে সংশোধিত গঠনতন্ত্র কার্যকর করবে।
গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে এনসিপি তাদের রাজনৈতিক কাঠামো ও দর্শনের যুগোপযোগী রূপ দিতে চায়। দলীয় নেতৃত্বের মতে, এটাই হবে ‘নতুন ধারার রাজনীতির’ ভিত্তিপ্রস্তর।