রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে অভিযান, নিরাপত্তা বাহিনীর সফলতা
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় পরিচালিত এক অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ভয়ংকর সব বিস্ফোরক দ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র। উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি মর্টার শেল ও তিনটি আর্জেস গ্রেনেড। র্যাব-১৫ এর একটি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার গভীর রাতে এই অভিযান চালানো হয়। দীর্ঘ সময় পাহাড় ঘেরাও করে তল্লাশি চালিয়ে গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের কক্সবাজার ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল খায়রুল ইসলাম বলেন,
“সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো পাহাড়ি এলাকায় গোপনে এমন অস্ত্র মজুত করে রাখছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই তথ্য আসছিল। অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে একটি বড় অপারেশনাল সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিদের সহায়তায় মজুত করা হয়েছিল, যা দিয়ে ক্যাম্প ও আশপাশে সহিংস কার্যক্রম চালানোর পরিকল্পনা ছিল। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে অতিরিক্ত নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। নিয়মিত অভিযানও চলবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় এধরনের অস্ত্র উদ্ধারে নিরাপত্তা বাহিনীর সফলতা প্রশংসিত হলেও, ভবিষ্যতে আরও বড় হামলা বা সহিংসতার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সজাগ ও সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।