রাজধানীজুড়ে বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে হোটেল ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের রান্নার ভোগান্তি এখন চরমে। কোথাও সারাদিন গ্যাস থাকছে না, কোথাও গভীর রাতে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে। এই তীব্র গ্যাস সংকট আরও দীর্ঘ হওয়ার আভাস মিলেছে।
রাজধানীতে গ্যাস সরবরাহের দায়িত্বে থাকা তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি জানিয়েছে, খুব দ্রুত এই সংকট কাটার কোনো সম্ভাবনা নেই।
গ্যাসের অভাবে অনেক এলাকায় এখন লাকড়ির চুলায় রান্না হচ্ছে। অন্যদিকে, চা দোকানি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রায় দ্বিগুণ দামে এলপিজি সিলিন্ডার কিনে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।
মোহাম্মদপুর, মিরপুর, ধানমন্ডি, রামপুরা ও মগবাজারসহ রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় একই চিত্র। তবে তিতাস কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, ২০২৬ সালেও গ্রাহক পর্যায়ে এই সমস্যা সমাধানের খুব একটা আশা নেই।
তিতাস গ্যাসের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) কাজী সাইদুল হাসান বলেন, ‘২০২৬ সালেও আবাসিক গ্রাহকপ্রান্তে সমাধানের খুব একটা আশা আমি দেখছি না। তবে আমরা প্রিপেইড মিটার দেওয়ার কাজ দ্রুত করার চেষ্টা করছি। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে এটি সম্পন্ন হলে অন্তত গ্যাস না পেয়েও বিল দেওয়ার যে অসন্তোষ, তা দূর হবে।’
জ্বালানি সংকটের এই প্রভাবে বাজারে ইলেকট্রিক চুলার বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে গেছে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।