আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গণনার সময় একটু বেশি লাগবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে এক ব্রিফিংয়ে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের কারণে এবার কেন্দ্রভিত্তিক এবং রিটার্নিং অফিসারের থেকে ভোট গণনার ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগবে। প্রতি তিন হাজার ভোটারের জন্য একটা ভোটকেন্দ্র। ভোটাররা দুটো ব্যালটে ভোট দেবেন। কাজেই স্বাভাবিক সময়ের থেকে একটু বেশি সময় লাগার কথা। আর দ্বিতীয়ত হচ্ছে প্রার্থীর সংখ্যাও বেশি। কাজেই গণনাতে স্বাভাবিক সময়ের থেকে একটু বেশি সময় লাগতে পারে।’
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে এবং রিটার্নিং অফিসারের কাছে যেখানে পোস্টাল ব্যালট আসবে সেখানে আরও বেশি সময় লাগবে। ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ব্যালটের সংখ্যা হচ্ছে ১৬ হাজার ১২৮। একটি কেন্দ্রের ভোট যেখানে তিন হাজার, সেখানে পোস্টাল ব্যালটের সংখ্যা পাঁচ গুণ বেশি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন এবার আমরা দুই রকমের ব্যালট ব্যবহার করছি। প্রবাসীদের জন্য এক ধরনের ব্যালট আর দেশের অভ্যন্তরে যারা আছেন তাদের জন্য আরেক ধরনের ব্যালট। প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের সাথে গণভোট, সব মিলিয়ে একটু সময় বেশি লাগবে গণনার ক্ষেত্রে। এই জিনিসটা আমাদের সবাইকে একটু বিবেচনায় রাখতে হবে। সেন্টারের গণনা আগে হয়ে যাবে, কিন্তু আপনার রিটার্নিং অফিসারের কাছে যে কেন্দ্রটা ওটার গণনার সময় লাগবে। আর একজন রিটার্নিং অফিসারের কাছে যদি একাধিক আসন হয় তাহলে আরও বেশি সময় লাগবে।’
ভোট গণনা করতে কতক্ষণ বেশি সময় প্রয়োজন হবে—এ প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘সে ব্যাপারে সংখ্যাগত হিসাবটা বললাম। এখন এটা নির্ভর করছে, পোস্টাল ভোটের যতগুলো ইনভেলপ আসবে, সবগুলো খুলতে হবে। কাজেই এটা বলা খুবই কঠিন। সবটাই একসাথে গুণবেন। একই সাথে রেজাল্টটা দেবেন। সেই কারণেই সময়টা একটু বেশি লাগবে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার সাথে সাথে গণভোটেরও আলাদাভাবে রিটার্নিং অফিসার ঘোষণা করবেন।’
ইসি সচিব জানান, বিএনসিসির প্রায় ১৬ হাজারের বেশি সদস্য ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে বিএনসিসি এবার নির্বাচনে কাজ করবে।