ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রেস উইং বলেছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওএইচসিএইচআরের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক নোট ভারবাল পাঠিয়েছে। এই নোটে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশন থেকে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে, ওএইচসিএইচআর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রই তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণয়কে অবহিত করা হবে।
এদিকে বাংলাদেশ সরকার পুনর্ব্যক্ত করছে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
উল্লেখ্য, নোট ভারবাল হলো কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এক ধরনের আনুষ্ঠানিক লিখিত নোট, যা মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা কূটনৈতিক মিশনের মধ্যে আদান-প্রদান করা হয়।
গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গুলিতে মারাত্মক আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ১৮ ডিসেম্বর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।