ঢাকা-৭ আসনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রেখে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন ওই আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লাহ। মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এনায়েত উল্লাহ অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় অনিয়ম হয়েছে এবং এর ফলে ভোটারদের রায়ের সঠিক প্রতিফলন হয়নি।
তিনি বলেন, ‘ধানের শীষের অনেকগুলো বান্ডিলে ১০০টি ব্যালট পেপার না থাকলেও গণনায় ১০০ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি দাঁড়িপাল্লার পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে গণনাকক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার পর রেজাল্ট শিট তৈরি করা হয়েছে।’
এনায়েত উল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, ‘দাঁড়িপাল্লার এজেন্টদের আপত্তি উপেক্ষা করা হয়েছে এবং অনেক পোলিং এজেন্টকে রেজাল্ট শিটের মূল কপি সরবরাহ করা হয়নি। ভোট গণনার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করা হয়েছে ও কাউন্টার পার্টে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি।’
তিনি জানান, ‘প্রিজাইডিং অফিসারের এসব অনিয়ম তুলে ধরে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত আপত্তি জানানো হয়েছে।’ তার ভাষ্য, পুনর্গণনা হলে অনিয়মের সত্যতা প্রকাশিত হবে এবং প্রকৃত ভোটসংখ্যা জানা যাবে। তাই তিনি অনতিবিলম্বে ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রেখে পুনর্গণনার দাবি জানান।
এদিকে ধানের শীষ মনোনীত নবনির্বাচিত ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ নাগরিক প্রতিদিনকে বলেন, ‘নির্বাচনে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক বিষয়। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। যারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। জনগণের কমিটমেন্ট ধরে রাখতে চাই। তাদের পাশে থাকতে চাই।’
ভোট কারচুপি বা ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে সমস্যা হয়েছে, সেটার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাক। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকার আলোচিত ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের মামলা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা আইনের বিষয়। আইন যেন আইনের গতিতে চলে সেই চেষ্টা করব। প্রয়োজন মনে করলে এ বিষয়ে কথা বলব।’