ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে তৎপরতা। দলীয় অন্দরে চলছে হিসাব-নিকাশ, আর প্রার্থিতা নিয়ে তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ। ফলে ক্ষমতার ভারসাম্য, নেতৃত্বের বিকাশ এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির মানদণ্ড নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।
ক্ষমতায় বসার পর এই নির্বাচন আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিএনপির জন্য। এখানে মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে দুটি বাস্তবতা—একদিকে দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের প্রশ্ন, অন্যদিকে পরিবারতান্ত্রিক প্রভাবের বিস্তার।
ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন এখন শুধু আসন বণ্টনের বিষয় নয়, হয়ে উঠেছে দলীয় আদর্শ, ন্যায়বোধ এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
এরইমধ্যে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী যুগ্মসচিব মো. মঈন উদ্দীন খানকে রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগসহ মোট ছয়জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছে। আগামী ১২ মে সংসদ সদস্যদের ভোটে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি জনগণের ভোটে নয়; বরং নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে সম্পন্ন হয়। ফলে একদিকে যেমন আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন, অন্যদিকে দলীয় কৌশল নির্ধারণের একটি সূক্ষ্ম প্রক্রিয়া। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দ্রুত নির্বাচন সম্পন্ন হলেও, প্রকৃত প্রতিযোগিতা হচ্ছে দলগুলোর ভেতরে—বিশেষ করে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নে চূড়ান্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে। স্থায়ী কমিটির পরামর্শ থাকলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত আসে ‘টপ-ডাউন’ পদ্ধতিতে। এই কাঠামো একদিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হলেও, অন্যদিকে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। বিশেষ করে যখন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা বেশি এবং প্রত্যাশা তীব্র।
তবে দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে সবচেয়ে বড় বিতর্কটি হলো—কে অগ্রাধিকার পাবে? রাজপথে সক্রিয়রা, মামলা-হামলা সহ্য করা ত্যাগী নেত্রীরা নাকি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যরা।
অতীত অভিজ্ঞতা ইঙ্গিত দেয়, অনেক ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষই সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেছে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে এবারের প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পর দল ক্ষমতায় বা প্রভাবশালী অবস্থানে এলে ত্যাগীদের প্রত্যাশাও বেড়ে যায়। ফলে এই দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
আর তাই সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন কেবল যোগ্যতার প্রশ্ন নয়; এটি একটি জটিল সমীকরণ হয়ে উঠেছে। বিএনপি সূত্র বলছে, এবার প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে তাই দলীয় আনুগত্য ও ত্যাগ, শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা, আঞ্চলিক ভারসাম্য, দলীয় গ্রুপিং ও লবিং এবং জোট রাজনীতির সমঝোতা মুখ্য ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছে। এখানে প্রতিযোগিতা শুধু যোগ্যতার নয়; বরং নেটওয়ার্ক, গ্রহণযোগ্যতা এবং ‘অ্যাক্সেস টু লিডারশিপ’-এর।
প্রার্থী তালিকায় এবার বৈচিত্র্য থাকার সম্ভাবনাও তাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় তাই দেখা যায় তিনটি প্রধান ধারা—দলীয় তৃণমূল ও আন্দোলনকেন্দ্রিক নেত্রী, রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি এবং পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। বিএনপি বলছে, সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকার এই বৈচিত্র্য একদিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে মনোনয়ন প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তোলে। কারণ প্রতিটি গোষ্ঠীর জন্য আলাদা যুক্তি ও চাপ কাজ করে।
ত্যাগীদের প্রত্যাশা নাকি পরিবারতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দলের অভ্যন্তরে প্রত্যাশা যেমন বেড়েছে, তেমনি পুরোনো অভিজ্ঞতা থেকে শঙ্কাও কাটছে না।
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও দৈনিক ইত্তেফাকের রাজনীতি-বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান তার ফেসবুকে দেওয়া এক বিশ্লেষণে বলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিরের ‘রাজপথের ত্যাগীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে’ বক্তব্য নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। তবে অতীত অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন বাস্তবতার ইঙ্গিত দেয়। পূর্বে সংরক্ষিত নারী আসনে এমন অনেকেই মনোনয়ন পেয়েছেন, যাদের রাজনৈতিক সংগ্রামের চেয়ে পারিবারিক পরিচয়ই ছিল প্রধান। অনেক ক্ষেত্রে এমপি, মন্ত্রী বা প্রভাবশালী নেতাদের স্ত্রী, কন্যা বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা অগ্রাধিকার পেয়েছেন। এমনকি আর্থিক প্রভাব বা শিল্পপতি পরিবারের সংশ্লিষ্টতাও মনোনয়নে ভূমিকা রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তার মতে, এই প্রবণতা শুধু অন্যায্য নয়, এটি দলীয় কাঠামোর ভেতরে গভীর হতাশা তৈরি করে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা কর্মীরা যখন দেখেন তাদের জায়গা ‘পারিবারিক পরিচয়’ দ্বারা দখল হয়ে যাচ্ছে, তখন স্বাভাবিকভাবেই বঞ্চনার অনুভূতি তৈরি হয়।
সাইদুর রহমান আরও বলেন, একটি রাজনৈতিক দল তখনই শক্তিশালী হয়, যখন নেতৃত্ব তৃণমূল থেকে উঠে আসে। পরিবারতন্ত্র বা বংশগত রাজনীতি সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে এবং জনগণের কাছেও নেতিবাচক বার্তা দেয় যে, রাজনীতি এখনো সীমিত একটি গোষ্ঠীর মধ্যেই আবদ্ধ, যেখানে যোগ্যতার চেয়ে সম্পর্ক বেশি গুরুত্ব পায়। সংরক্ষিত নারী আসন শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পদ নয়; এটি রাজপথের ত্যাগের মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই আসনগুলো যদি সত্যিকারের সংগ্রামী ও যোগ্য নারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, তবে তা দলীয় কাঠামোকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অন্যথায়, হতাশা বাড়তে বাড়তে একসময় সংগঠনের ভিতকেই দুর্বল করে দিতে পারে।
নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতায় নারী আসনের সম্ভাব্য বণ্টন নিয়েও রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা আলোচনা। নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন টুলী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন কেবল আনুপাতিক হিসাবের বিষয় নয়; এটি দলগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
জেসমিন টুলীর ভাষ্যমতে, এসব আসনে মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে দলের ভেতরে নানা সমীকরণ তৈরি হয়। সিনিয়র নেতাদের পরিবার, নারী সংগঠনের নেত্রী এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিরা মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন—ফলে এটি একটি জটিল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। সে অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
দলীয় পর্যায়ে মনোনয়ন-প্রত্যাশীদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা বলেন, গত ১৭ বছর যারা রাজপথে ছিলেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া উচিত। হাইব্রিডদের ভিড়ে প্রকৃত ত্যাগীরা যেন হারিয়ে না যান।
ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভাপতি রুনা লায়লা বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পারিবারিক পরিচয়ের সূত্র ধরেও প্রার্থিতা প্রত্যাশা করা অস্বাভাবিক নয়। তবে শেষ পর্যন্ত মূল্যায়নের ভিত্তি কী হবে—ত্যাগ, পারিবারিক উত্তরাধিকার নাকি অন্য কোনো বিবেচনা, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তিনি আরও জানান, স্থায়ী কমিটির সঙ্গে আলোচনা শেষে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছে ফোনের মাধ্যমে মনোনয়নের বার্তা পৌঁছাতে পারে।
সব মিলিয়ে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন ঘিরে প্রত্যাশা ও সংশয়ের মিশ্র চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ত্যাগী নেতৃত্বের মূল্যায়ন হবে নাকি পরিবারতান্ত্রিক প্রভাবই প্রাধান্য পাবে—এ প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে দলীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা।
আলোচনায় আছেন যারা
দলটির শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তার, সাবেক সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি এবং রেহেনা আক্তার রানু।
এছাড়া সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত কয়েকজন নারী নেত্রীর নামও আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, সাবিরা সুলতানা, সানজিদা ইসলাম তুলি এবং নাদিরা চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্য।
তালিকায় রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরিদের উপস্থিতিও স্পষ্ট। এর মধ্যে রয়েছেন সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সাবেক এমপি আমান উল্লাহ চৌধুরীর মেয়ে নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, লন্ডন বিএনপির সাবেক সভাপতি কমর উদ্দিন আহমেদের মেয়ে সাবরিনা খান এবং মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ খাদিজাতুল কোবরা সুমাইয়া বা এই পরিবারের অন্য কোনো সদস্য।
রাজনীতির বাইরে থেকেও কয়েকজন পরিচিত মুখ সম্ভাব্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্দিন মওদুদ এবং বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের মেয়ে ব্যারিস্টার সালিমা বেগম অরুনির নাম আলোচনায় রয়েছে।
মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রীদের মধ্যেও মনোনয়ন প্রত্যাশা লক্ষণীয়। স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নীসহ আরও কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন।
দলীয় সাংগঠনিক কাঠামো থেকে উঠে আসা নেত্রীদের মধ্যেও রয়েছে তীব্র প্রতিযোগিতা। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ইডেন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সেলিনা সুলতানা নিশিতা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, নাদিয়া পাঠান পাপন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি আলোচনায় রয়েছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর থেকে সভাপতি অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা রুনা ও সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা তামান্না আর দক্ষিণ থেকে সভাপতি রুমা আক্তার এর নাম আলোচনায় রয়েছে।
এছাড়া পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুন নাহার এবং বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবার নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। এছাড়া প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসিরুদ্দিন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, সেলিমুজ্জামান সেলিমের স্ত্রী সাবরিনা শুভ্র, ড. আব্দুল মঈন খানের মেয়ে মাহারীন খান এবং শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইনের নাম নিয়েও আলোচনা চলছে।
শিক্ষা ও পেশাজীবী অঙ্গন থেকেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সাবেক ভিপি অধ্যাপক নাজমা সুলতানা ঝংকার, লেখক সেলিনা হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাজমেরি ইসলাম, অধ্যাপক তাহমিনা বেগম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. নাহারিন খান এবং ডা. সৈয়দা তাজনিন ওয়াইরিস সিমকি। এছাড়া ফাতেমা বিনতে দোহা এবং ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আক্তারের নামও আলোচনায় রয়েছে।
ঢাকাকেন্দ্রিক হিসাব-নিকাশ কী বলছে
ঢাকা মহানগর ঘিরে আলাদা করে সমীকরণ তৈরি হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণে সাংগঠনিক নেতৃত্বের ভিত্তিতে কয়েকজন এগিয়ে রয়েছেন। উত্তর থেকে সভাপতি অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা রুনা ও সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা তামান্না, আর দক্ষিণ থেকে সভাপতি রুমা আক্তার, অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, আফরোজা আব্বাস এবং সানজিদা ইসলাম তুলির নাম আলোচনায় রয়েছে।