টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি। তবে এর মধ্যেই সবচেয়ে আলোচনায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ। এপ্রিলেই তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা কিউইদের, আর এই সিরিজ দিয়েই নতুন চ্যালেঞ্জে নামবে টাইগাররা।
এর আগে অবশ্য বিশ্বকাপ শেষের মাত্র দুই দিন পর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজ শেষ হওয়ার পরই প্রস্তুতি শুরু হবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজের জন্য। এদিকে নিউজিল্যান্ড দলও ব্যস্ত সূচির মধ্যেই বাংলাদেশ সফরে আসবে। নিজেদের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে কিউইরা। ১৫ মার্চ মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে শুরু হয়ে সিরিজটি শেষ হবে ২৫ মার্চ।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজ শেষ করেই বাংলাদেশ সফরের প্রস্তুতি নেবে নিউজিল্যান্ড। তিন ম্যাচ ওয়ানডে ও তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছানোর কথা তাদের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই সফর শুরু করবে কিউইরা।
সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। দেশের মাটিতে খেলার সুবিধা নেওয়ার লক্ষ্যেই ম্যাচগুলো রাজধানীতে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেতে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করাও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দশ নম্বরে থাকা দলটিকে উঠতে হবে অন্তত সাত নম্বরে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো হওয়ার কথা চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী ২৭ ও ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে অনুষ্ঠিত হতে পারে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষ করার পর আবারও লাল বলের ক্রিকেটে ফিরবে বাংলাদেশ। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা।