পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরে এক অদ্ভুত ডেলিভারিকে ঘিরে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। করাচি ব্লুসের পেসার আসাদ আখতারের একটি নো বল সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে, যা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্নও।
ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে পেশাওয়ারের ইমরান খান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লাহোর ব্লুসের বিপক্ষে ম্যাচে এই ঘটনা ঘটে। ওই ওভারে ২১ রান দেন আসাদ, সঙ্গে ছিল দুটি ওয়াইড ও দুটি নো বল। এর মধ্যে একটি নো বল ছিল চোখে পড়ার মতো! বোলিং ক্রিজ থেকে তার সামনের পা ছিল অস্বাভাবিকভাবে অনেক দূরে। এই দৃশ্য অনেকের মনে করিয়ে দিয়েছে ২০১০ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মোহাম্মদ আমিরের সেই কুখ্যাত নো বলের কথা, যা পরে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির অংশ হিসেবে সামনে আসে।
ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি কাপে আসাদ আখতারের নো বল কেবল বড়ই ছিল না, এটা ছিল আতঙ্কিত হওয়ার মতো! এই বল তাৎক্ষণিকভাবে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির সময়ে মোহাম্মদ আমিরের করা কুখ্যাত নো বলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘একই ওভারে দুটি ওয়াইড ও দুটি নো বল। সবগুলোই ছিল দাগের বাইরে, এর মধ্যে একটি এতটাই দূরে? এই ধরনের ডেলিভারি গুরুতরভাবে প্রশ্ন তুলছে। পাকিস্তান ক্রিকেট এমন দৃশ্য আগেও দেখেছে।’
আরেকজন বিস্ময় প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এটাই কি ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে লম্বা নো বল? করাচি ব্লুর আসাদ আখতার পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি কাপে বড় ওভারস্টেপ করেছেন।’
আবার কেউ সরাসরি সন্দেহ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘২৫ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার তাদের চলমান টি-টোয়েন্টিতে আসাদ আখতার চলমান শীর্ষ ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে যে বল করেছেন, তা নিঃসন্দেহে সন্দেহজনক। আবারো স্পট ফিক্সিং!’
তবে এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্ত বা মন্তব্য আসেনি। তবুও একটি নো বল ঘিরেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেট এবং অতীতের বিতর্কিত স্মৃতি।