গত বছরের অক্টোবরে নিউজিল্যান্ড সফরের সময় ওয়েলিংটনের একটি ক্লাবের বাইরে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে মারামারি হয়েছিল হ্যারি ব্রুকের। তবে ওই ঘটনায় ব্রুক একা ছিলেন না, সতীর্থরাও ছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক। তিনি জানিয়েছেন, মাঠের বাইরের আচরণ ও নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়ে তার এখনও অনেক কিছু শেখার আছে।
ওয়েলিংটনে ব্রুকের সঙ্গে ছিলেন জ্যাকব বেথেল ও জশ টাং। তবে প্রথমে তিনি দাবি করেছিলেন, সেসময় তার সাথে কেউ ছিল না। টেলিগ্রাফে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর, যেখানে বলা হয়েছিল ব্রুক, বেথেল ও টাং তদন্তের আওতাধীন আছেন।
ব্রুক বলেন, ‘ওয়েলিংটনে আমার কর্মকাণ্ডের সম্পূর্ণ দায় আমি গ্রহণ করছি এবং স্বীকার করছি যে সেদিন সন্ধ্যায় সেখানে অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন। আমার আগের মন্তব্যের জন্য আমি অনুতপ্ত। আমার উদ্দেশ্য ছিল, নিজের সিদ্ধান্তের কারণে সৃষ্টি হওয়া একটি পরিস্থিতিতে যেন আমার সতীর্থরা জড়িয়ে না পড়েন এবং তাদের সুরক্ষা করা।’
তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘এর আগে আমরা দু-একটা ড্রিংক নিয়েছিলাম, তারপর আমি নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও কিছু ড্রিংকের জন্য বের হয়ে যাই এবং সেখানে একাই ছিলাম। আমি একটি ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাউন্সার (নিরাপত্তাকর্মী) আমাকে আঘাত করে। যেমনটি আগেও বলেছি, শুরু থেকেই এই পরিস্থিতিতে থাকা উচিত হয়নি আমার…পুরোপুরি মাতাল ছিলাম না।’
ব্রুক বলেন, ‘আমি ক্ষমা প্রার্থনা করেছি এবং বিষয়টি আমাকে ভাবাবে। এটা ছিল আমার ক্যারিয়ারে চ্যালেঞ্জিং এক সময়, যেখান থেকে আমি শিখছি। আমি বুঝতে পেরেছি যে নেতৃত্ব ও অধিনায়কত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত মাঠের বাইরের দায়িত্ব সম্পর্কে আমার আরও শেখার প্রয়োজন আছে। আমি এ ক্ষেত্রে নিজেকে উন্নত করার এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগতভাবে উন্নতির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব।’
এইভাবে ব্রুক নিজের দায়িত্ব স্বীকার করেছেন, সতীর্থদের সঙ্গে সত্য কথা প্রকাশ করেছেন এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে শেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।