নামটাই যথেষ্ট, তবু নিশ্চয়তা নেই। নেইমারকে ঘিরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন আবারও জেগেছে, কিন্তু স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। শুধু মাঠে ফিরলেই হবে না, শতভাগ ফিট না হলে জাতীয় দলে জায়গা মিলবে না।
২০২৩ সালে চোটের কারণে প্রায় এক বছর মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। এরপর সৌদির আল হিলাল অধ্যায় শেষ করে নতুন করে ঘরে ফেরেন তিনি। শৈশবের ক্লাব সান্তোস-এ যোগ দিলেও চোটের দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়েনি। গত মৌসুমে ৩২ ম্যাচ ডাগআউটে বসে কাটাতে হয়েছে তাকে। সর্বশেষ ভেলোর বিপক্ষে দুই মাসের বেশি সময় পর ৪৫ মিনিট মাঠে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার, কিন্তু এখনও নিয়মিত হতে পারেননি।
এ অবস্থায় জাতীয় দলে তার ফেরার প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল এখনও ঘোষণা হয়নি। সমর্থকেরা চান নেইমারকে আবার সেলেসাও জার্সিতে দেখতে। এমনকি রিও কার্নিভালেও আনচেলত্তিকে ঘিরে ভক্তদের অনুরোধ ছিল- নেইমারকে দলে রাখতে হবে।
তবে ইতালিয়ান কোচের অবস্থান পরিষ্কার। কেবল সুস্থ থাকাই যথেষ্ট নয়; ম্যাচ-ফিট, উচ্চ গতির ফুটবল খেলার সক্ষমতা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স - সবকিছু মিলিয়েই বিবেচনায় আসবেন নেইমার। অর্থাৎ, ‘অটো চয়েজ’ হিসেবে কোনো নিশ্চয়তা নেই তার।
বর্তমান ব্রাজিল দলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোর মতো তরুণ তারকারা নিয়মিত পারফর্ম করছেন। ফলে প্রতিযোগিতা আরও কঠিন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, ফুটবলের প্রতি নেইমারের বর্তমান মনোযোগ ও ধারাবাহিকতা নিয়েও কোচ সন্তুষ্ট নন।
সব মিলিয়ে সমীকরণটা পরিষ্কার। নেইমারের নাম বড়, অবদানও অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেতে হলে মাঠেই দিতে হবে প্রমাণ। আনচেলত্তির ব্রাজিলে আবেগ নয়, প্রাধান্য পাচ্ছে ফিটনেস ও ফর্ম।