বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
| ২১ মাঘ ১৪৩২
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা কোনো স্থায়ী বাধা হতে পারেন না। তাকে ছাপিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভারতের সাপ্তাহিক ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য উইককে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব বলেছেন।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে বিএনপি সকল ধরনের সাম্প্রদায়িকতা ও হিন্দু-খ্রিস্টান-মুসলমানের ভেদাভেদ বন্ধ করে একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলে অসাম্প্রদায়িকতার রাজনীতিকে ফিরিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা নিমবাড়ী এলাকায় এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘পাকিস্তান আমাদের ওপর অনেক অত্যাচার করত। এ কারণেই আমরা আলাদা হয়ে গিয়েছিলাম। আলাদা হয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলাম। আর সে সময় যারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, আমাদের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল, তারাই আবার ভোট চাইছে দেশ চালাতে। তাদেরকে ভোট দিয়ে কি দেশের সর্বনাশ করব?’
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১৫ বছর আমাদের ওপর, বহু জুলুম-নির্যাতন গেছে আমাদের ছেলেদের ওপর। এমন কোনো মামলা নাই যে দেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে এক শরও বেশি মামলা হয়েছে। ১১ বার জেলে গেছি। সাড়ে তিন বছর জেল খেটেছি।’
জনগণকে নিজের শক্তি ও অধিকার বজায় রাখতে ধানের শীষের পাশে দাঁড়াতে হবে, ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। ধানের শীষ সবাইকে সুরক্ষা দেবে, সবার পাশে দাঁড়াবে ও নিরাপত্তা দেবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ের আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ভাতগাও কান্দরপাড়া ও বোর্ড কচুবাড়ি এলাকায় নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকার কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে গুলির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একটি গোষ্ঠী জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালাচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে এখন পর্যন্ত মোটামুটি যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জীবনের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।