আজাদী না স্বাধীনতা: শব্দ-রাজনীতির পরিভাষার খেলা
আজাদী না স্বাধীনতা: শব্দ-রাজনীতির পরিভাষার খেলা

বাস্তবতা যেমন শব্দের সৃষ্টি করে, তেমনি শব্দও বাস্তবতার দিকে নিয়ে যায় বা বাস্তবতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শেখায়। ‘শব্দের রাজনীতি এবং রাজনীতির শব্দ’—এই শিরোনামটিই বলে দিচ্ছে যে, ভাষা কেবল মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং এটি ক্ষমতা এবং আদর্শিক লড়াইয়ের একটি বড় অস্ত্র। স্বাধীনতার বদলে যখন বলা হয় আজাদী, তখন এই শব্দ আর শব্দ থাকে না, হয়ে ওঠে ভিন্ন অর্থবাহী একটি শব্দ যা সময়কে তুলে ধরে, তুলে ধরে মতাদর্শ। যাতে উচ্চারণকারী বা ব্যবহারীকে খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী বাংলাদেশে শব্দচয়ন নিয়ে এই পার্থক্যটা বেশি করে চোখে পড়ছে। এই শব্দ-রাজনীতি নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার গভীরে রয়েছে সমাজ ও রাজনীতির এক বিশাল রূপান্তর।

জয়ের মুখ দেখেননি যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীরা
জয়ের মুখ দেখেননি যেসব হেভিওয়েট প্রার্থীরা

নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে শেষ হল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় ভোট গ্রহণের মাধ্যমে শেষ হয় এই মহা আয়োজন। এতে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ২১২ আসনে বিজয় নিশ্চিত করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। অন্যদিকে ৭৭ আসন নিশ্চিত করে প্রধান বিরোধী দল হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জোট। বেশ কিছু আসনে পরাজিত ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লড়াই ছিল একেবারে হাড্ডাহাড্ডি। এমন উত্তেজনাপূর্ণ নির্বাচনেও জয়ের দেখা পাননি বেশ কিছু হেভিওয়েট প্রার্থী। চলুন জেনে নেওয়া যাক কারা এসব আলোচিত প্রার্থী, যা সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানলেন নিয়তির কাছে।