শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। বুধবার (১৮ মার্চ) সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ঘোষণা আসার পর থেকেই শুরু হয় ঈদের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। সংবাদমাধ্যম ডন-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, চাঁদ দেখার ভিত্তিতেই রমজান মাসের সমাপ্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পরপরই মুসলিমরা এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপনে অংশ নেন। ভোর থেকেই মসজিদ ও খোলা ময়দানে ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শুরু হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
নামাজ শেষে দেশগুলোর বিভিন্ন শহর ও গ্রামে দেখা যায় উৎসবমুখর পরিবেশ। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো, বিশেষ খাবারের আয়োজন এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন মানুষজন। শিশু থেকে বয়স্ক—সব শ্রেণির মানুষই ঈদের আনন্দে মেতে ওঠেন।
চাঁদ দেখার পার্থক্যের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঈদের দিন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সময়ের এই ভিন্নতা সত্ত্বেও ঈদের আনন্দ ও তাৎপর্যে কোনো ঘাটতি থাকে না, বরং বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে এক ধরনের আধ্যাত্মিক সংযোগ বজায় থাকে।
এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে বাজার, মসজিদ ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ছুটির আমেজ বিরাজ করছে। নানা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হচ্ছে।