সপ্তাহান্তজুড়ে ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি দিলেও এখন সুর নরম করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তার বর্তমান শর্তগুলো অনেকটা তেমনই, যা ২৩ দিন আগে ওমানের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের আলোচনার টেবিলে ছিল বলে ধারণা করা হয়।
সেই শর্তগুলো হচ্ছে—ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ।
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলছেন, যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এটি স্রেফ সম্ভাবনার চেয়ে বেশি কিছু নয়।
মার্কিনিদের ওপর এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে ট্রাম্প বেশ সচেতন। এ ছাড়া যুদ্ধের মানবিক মূল্য বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও তার ভাবনায় রয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ট্রাম্প এখন এমন এক সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছেন, যেখানে তিনি নিজেকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন।
অতীতে দেখা গেছে, ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই নমনীয় বা পরিবর্তনযোগ্য। কিন্তু মার্কিন জনগনের ধৈর্য হয়তো অতটা নমনীয় না-ও হতে পারে।
অ্যালান ফিশার স্কটিশ সম্প্রচার সাংবাদিক ও রণাঙ্গন সংবাদদাতা
আল জাজিরা থেকে নেওয়া