আল জাজিরার প্রতিবেদন
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তবে সবার কাছে ইন্টারনেট সুবিধা না থাকায় অনেকে এই সতর্কবার্তা সময়মতো জানতে পারছে না, যা তাদের জীবনকে আরও ঝুঁকিতে ফেলছে।
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, এই নির্দেশ জারির ঠিক পরপরই ওই নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি যেসব এলাকা আগে নিরাপদ মনে করা হতো, সেখানেও এখন উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
তাহলে মানুষ যাবে কোথায়?
বর্তমানে লেবাননের ভেতরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে। এখনো অনেক বেসামরিক নাগরিক দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করছে। তারা যদি মনে করে, সেখানে থাকা আর নিরাপদ নয়, তাহলে তাদের জন্য লিতানি নদী পার হয়ে উত্তর দিকে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে। কারণ উত্তর ও দক্ষিণ লেবাননকে সংযুক্তকারী সেতুগুলোর বেশিরভাগই ইসরায়েলের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
এ পরিস্থিতি লেবানন সরকারকে চরম সংকটে ফেলেছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দ্রুত বাড়তে থাকা এই মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলা করতে তারা হিমশিম খাচ্ছে।
ইসরায়েলি বাহিনী এরই মধ্যে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তের নাকুরা পয়েন্ট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেছে, যা স্থল আগ্রাসনেরই রূপ নিয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টা ধরে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে তীব্র গোলাগুলি চলছে। লেবাননের সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত এই যুদ্ধে অংশ না নিয়ে মূলত মানবিক সংকট মোকাবিলায় মনোযোগ দিচ্ছে।