ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু শহরে একটি বাড়ি থেকে ৫৭ বছর বয়সী এক নারীর কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম দক্ষায়িণী। বেঙ্গালুরুর হাভানুর লে-আউট এলাকায় তিনি থাকতেন।
পুলিশের ধারণা, প্রায় এক বছর আগে এই নারীর মৃত্যু হয়েছিল। এতদিন বাড়ির ভেতরে পড়ে ছিল মরদেহ। কেউ টের পায়নি। গতকাল শুক্রবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষায়িণীর ভাই মহেশ বাসাপ্পা জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে দক্ষায়িণীর ছেলে মারা যাওয়ার পর তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন।
পরে বেঙ্গালুরু ও শিবমোগ্গার বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা হয়। একপর্যায়ে চিকিৎসকেরা তার সিজোফ্রেনিয়া শনাক্ত করেন। চিকিৎসার জন্য দক্ষায়িণী প্রায় চার মাস একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রেও ছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৭ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর দক্ষায়িণী ওই বাড়িতে একাই বসবাস করছিলেন।
প্রায় দুই বছর ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দক্ষায়িণীর কোনো যোগাযোগ ছিল না।
শুক্রবার পুলিশ মহেশকে তার বোনের বাড়িতে একটি মরদেহ পাওয়া গেছে জানালে তিনি তা তার বোনের বলে শনাক্ত করেন। এসময় মহেশ কারো প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেননি।
এ ঘটনায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৯৪ ধারায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।